
ইয়াছিন আরাফাত, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি
দেশে যখন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বমূল্যে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে, তখন নতুন করে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর বাড়তি বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে।
আজ সরকার ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে। ফলে ডিজেল ১১৫ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা হয়েছে। নতুন দাম ২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়বে কৃষি, পরিবহন, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ প্রায় প্রতিটি খাতে। বিশেষ করে কৃষকদের উৎপাদন খরচ আরও বাড়বে, পরিবহন ব্যয় বাড়বে এবং এর প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়।
জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে আমরা এসব বিষয় বারবার সংসদে তুলে ধরেছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে জনগণের দুর্ভোগের বিষয়গুলো যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের সংকট নিরসন এবং জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের দাবিই জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের লংমার্চের অন্যতম প্রধান দাবি।
আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই জনগণের ওপর একের পর এক বাড়তি চাপ সৃষ্টি না করে জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন এবং জনগণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন।