
ইতালির হোটেল নোংরা করায় হোটেল কর্সকর্তৃপক্ষ জেমস কে জরিমানা
চন্দ্রগঞ্জ প্রতিনিধি| রাপিউর রহমান
ইতালির রোমে নগরবাউল জেমসের কনসার্ট ও থাকার হোটেলকে কেন্দ্র করে মূল ঝামেলা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে বেশ আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।
মূল অভিযোগসমূহ
হোটেল কক্ষ অপরিষ্কার রাখা: কনসার্ট শেষে রোমের যে হোটেলে তারা ছিলেন, সেখান থেকে চেকআউট করার পর একটি নোংরা কক্ষের ছবি ও চ্যাট স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ ওঠে যে, কক্ষটিতে ব্যবহারের পর জুস, পানির বোতল ও এটো এটো জিনিসপত্র অগোছালো অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল এবং চাবি না বুঝিয়ে চলে যাওয়া হয়েছিল। হোটেল কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ২০রো ক্লিনিং ফি দাবি করেছিল বলে জানানো হয়।
আর্থিক লেনদেন ও চুক্তিভঙ্গ: অনুষ্ঠানের স্থানীয় আয়োজক (হোসাইন আহমেদ মোয়াজ) অভিযোগ করেন, কনসার্টের জন্য পুরো অর্থ পরিশোধের পরও টিকিটের টাকার হিসাব এবং চুক্তির শর্ত পালন নিয়ে জেমসের ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিনের সাথে জটিলতা তৈরি হয়।
জেমস ও তার দলের বক্তব্য
রুমের বিষয়ে জেমসের জবাব: ইতালির ভেনিসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেমস পরিষ্কার করেন, ছড়িয়ে পড়া নোংরা ঘরটির (রুম ৫৪৯) ছবি কোনোভাবেই তার ছিল না। সেটি ছিল দলের সাথে যাওয়া তরুণ এক মিউজিশিয়ানের। জেমস বলেন, তরুণেরা অনেক সময় রুম অগোছালো রাখতে পারে, হোটেল কর্মীরা প্রতিদিন রুম পরিষ্কার করেন, এতে জলঘোলা করার মতো বড় কিছু নেই।
ম্যানেজারের স্পষ্টীকরণ: জেমসের ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন জানান, জেমস নিজে রুম ৩৪৫-এ ছিলেন। তারা নির্দিষ্ট সময় ও নিয়ম মেনেই হোটেল ত্যাগ করেছিলেন। কোনো একজন মিউজিশিয়ানের ঘরের জন্য সরাসরি জেমসের নাম জড়িয়ে দিয়েছেন
আর্থিক ও আইনি বিষয়ে: আর্থিক প্রতারণা ও অনিয়মের অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক বলে উড়িয়ে দিয়ে তারা জানান, আয়োজকদের কোনো অভিযোগ থাকলে তা যেন ইতালির আইন অনুযায়ী আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধান করা হয়।