বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় নিখোঁজের চার দিন পর পাঁচ বছর বয়সী শিশু ইউসুফ আলীর অর্ধগলিত মরদেহ ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির মা মোছা. রিনি বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত ইউসুফ আলী উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের বড়বালুয়া গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় তার মা মোছা. রিনি বেগম ও সৎ বাবা উজ্জল হোসেনের সঙ্গে বসবাস করত।
মরদেহ উদ্ধার
তথ্যসূত্র: স্থানীয় সূত্র ও প্রাপ্ত ঘটনার বিবরণ
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভাড়া বাসার পূর্ব পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে শিশুটির মা রিনি বেগম ও নানা মুকুল মিয়া মরদেহটি ইউসুফের বলে শনাক্ত করেন।
তদন্তে মায়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ
তথ্যসূত্র: সোনাতলা থানা পুলিশের কার্যক্রম-সংক্রান্ত প্রাপ্ত তথ্য
মরদেহ উদ্ধারের পর শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করে সোনাতলা থানা পুলিশ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাটির রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করে। এ ঘটনায় শিশুটির মায়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ সামনে এসেছে এবং তাঁকে গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে শিশুটিকে কীভাবে, কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও তদন্তের বিস্তারিত তথ্য এখনো স্পষ্ট নয়।
মামলা ও পরবর্তী আইনি কার্যক্রম
তথ্যসূত্র: মামলা-সংক্রান্ত প্রাপ্ত বিবরণ
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির বাবা পলাশ বাদী হয়ে সোনাতলা থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে।
মাত্র পাঁচ বছর বয়সী শিশুর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে শোক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।